| শিরোনাম |
❒ পদ্মায় বাল্কহেড দুর্ঘটনায় নিখোঁজ ৩ জনের দু’জন বেঁচে ফিরেছেন
❒ দীর্ঘ সময় পেরোলেও উদ্ধার না হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে ভাগ্যেই তাহলে কী ঘটেছে ?
❒ খোঁজ মেলেনি শৈলকুপা ছাত্রদলের নেতা রকির ছবি:
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে নৌভ্রমণে এসে নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা রাকিবুজ্জামান রকিকে গতকাল রাত থেকে এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে উদ্ধার অভিযান চললেও তার কোনো সন্ধান না মেলায় তিনি আদৌ বেঁচে আছেন কিনা, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
শুক্রবার রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ৪ নম্বর পিলারের সঙ্গে বাল্কহেডের ধাক্কা লেগে নদীতে পড়ে যান তিন যাত্রী। তাদের মধ্যে ঝিনাইদহের শৈলকুপা পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব রাকিবুজ্জামান রকি, লিটন ও ওহাব ছিলেন। পরে লিটন ও ওহাবকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও রকির কোনো খোঁজ মেলেনি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কাতলা গড়ি ঘাট থেকে ১২৩ জন ভ্রমণকারী একটি বাল্কহেডে করে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার সোলাইমান শাহ মাজারে বেড়াতে আসেন। মাজার পরিদর্শন শেষে রাতে ফেরার পথে পদ্মা নদীর তীব্র স্রোতের কারণে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় বাল্কহেডটির পেছনের অংশ ব্রিজের পিলারের সঙ্গে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এতে কয়েকজন যাত্রী নদীতে পড়ে যান।
দুর্ঘটনার পর থেকেই রাকিবুজ্জামান রকিকে উদ্ধারে ঈশ্বরদী ও ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, নৌ পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। তবে নদীর তীব্র স্রোত, গভীরতা ও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।
রকির স্বজন ও সহযাত্রীরা জানান, তিনি সাঁতারে দক্ষ ছিলেন। ঘটনার পরপরই তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হলেও অন্ধকার ও নদীর স্রোতের কারণে তাকে আর দেখা যায়নি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিখোঁজ ছাত্রদল নেতাকে উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও তার সন্ধান না পাওয়ায় পরিবার, সহকর্মী ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বাড়ছে।