শনিবার , ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
সংবাদ শিরোনাম :
শিরোনাম নেপালে মহিলা আ’লীগের নেত্রীসহ ১০ বাংলাদেশি গ্রেফতার, ‘খাতুনে জান্নাত’কে খুঁজছে পুলিশ যশোরে লক্ষাধিক টাকা ও ৬০ মোবাইল উদ্ধার, ফেরত পেলেন মালিকরা রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সকলের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী যশোরে ২০০ মেধাবী পেল শিক্ষা ট্রাস্টের বৃত্তি ব্রিকস কী এবং যে কারণে এটি গুরুত্বপূর্ণ নেশার ঘোরে বিশৃঙ্খলা, অভয়নগরে প্রাইভেটকার চালকের ২ মাসের কারাদণ্ড পাঁচ চিরকুটের পরও নানা প্রশ্ন: ফ্লোরে পা, বন্ধ কক্ষ—তদন্তে কী খুঁজছে পুলিশ? খুলনায় ফের যুবক খুন; মৃত্যু উপত্যকার পথে নগরী? গুলশানে আ’লীগের মিছিল, ৩২ নেতাকর্মী গ্রেফতার খোঁজ মিলছে না শৈলকুপা ছাত্রদলের নেতা রকির
Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)
যশোরে লোডশেডিংয়ের কারণে মাছের মড়ক দাবির প্রমাণ মেলেনি

❒ অতিরিক্ত মাছের মজুত ও খাদ্য ব্যবস্থাপনার ত্রুটি মাছ মৃত্যুর প্রধান কারণ-তদন্ত কমিটি

প্রকাশ : বুধবার, ২৬ আগস্ট , ২০২৬, ০৩:৩৩:০০ পিএম
স্বর্ণলতা নিউজ:
Shornolota_2026-08-26_6a8efa53da2a6.JPG

❒ যশোরের শার্শায় ঘেরের মাছ মৃত্যুর কারণ লোডশেডিং নয়, অব্যবস্থাপনা মূল কারণ ছবি:

যশোরের শার্শা উপজেলার এ এফ মৎস্য খামারে মাছের ব্যাপক মৃত্যুর ঘটনায় লোডশেডিংকে দায়ী করার বিষয়টি নাকচ করেছে জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি। তদন্তে উঠে এসেছে, বিদ্যুৎ বিভ্রাট নয়; বরং অতিরিক্ত মাছের মজুত, খাদ্য ব্যবস্থাপনার ত্রুটি এবং খামারের সার্বিক ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতাই মাছ মৃত্যুর প্রধান কারণ।

যশোর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গঠিত তদন্ত কমিটি সরেজমিন পরিদর্শন ও তথ্য যাচাই শেষে বুধবার (২৬ আগস্ট) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মিডিয়া সেলের মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।

জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার অশীষ কুমার দাস জানান, শার্শা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের সোনামুখী বিলের কাছে অবস্থিত ওই খামারে মাছ মারা যাওয়ার পর বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লোডশেডিংকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টির প্রকৃত কারণ জানতে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) তদন্ত কমিটি খামারটি পরিদর্শন করে।

তদন্তে বিদ্যুৎ সরবরাহের তথ্য যাচাই করে দেখা যায়, ২২ আগস্ট রাতে ওই এলাকার ফিডারে রাত ১টা ৪২ মিনিট থেকে ২টা ২৬ মিনিট পর্যন্ত ৪৪ মিনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। তবে ওই সময়ের আগেই খামারে মাছ মারা শুরু হয়। ফলে লোডশেডিংয়ের কারণে মাছের মড়ক হয়েছে—এমন দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তদন্ত কমিটির মতে, খামারে ধারণক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত মাছের মজুত, অতিরিক্ত উচ্চ-আমিষযুক্ত খাবার প্রয়োগ, পানিতে জৈব ও নাইট্রোজেনজাত বর্জ্যের চাপ, ফাইটোপ্ল্যাংকটনের আধিক্য এবং পানির রাসায়নিক ভারসাম্যের পরিবর্তন মাছ মৃত্যুর মূল কারণ।

এছাড়া খামারে প্রয়োজন অনুযায়ী এয়ারেশন ব্যবস্থা না থাকা এবং জরুরি সময়ে ব্যবহারের জন্য বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা (জেনারেটর) না থাকাকেও বড় দুর্বলতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে তদন্ত কমিটি।

জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, খামার কর্তৃপক্ষ একদিকে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ ও বিপুল ক্ষতির দাবি করেছে, অন্যদিকে অর্থ সংকটের কারণে জেনারেটর কেনা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে। শতকোটি টাকার খামারে এয়ারেশন সচল রাখার মতো বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা না থাকা এবং বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্যের সঙ্গে খামার কর্তৃপক্ষের বক্তব্যে অসামঞ্জস্যতা পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, মাছের ব্যাপক মৃত্যুর পর লোডশেডিংকে দায়ী করে ক্ষয়ক্ষতির খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে জেলা প্রশাসনের তদন্তে উঠে এসেছে, ঘটনার পেছনে মূল ভূমিকা ছিল খামারের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার ঘাটতি।

আরও খবর

Ad for sale 225 x 270 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
🔝