| শিরোনাম |
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) প্রশাসনের উদ্যোগে আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য গণভোজের আয়োজন করা হয়েছে। জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ, দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি ছাত্র হল ও তিনটি ছাত্রী হলে একযোগে এ গণভোজের আয়োজন করা হয়। এতে মোট তিন হাজার ২২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণের জন্য টোকেন সংগ্রহ করেন।
হলভিত্তিক তথ্যানুযায়ী, মুন্সী মেহেরুল্লাহ হলে এক হাজার, শহীদ মসিয়ূর রহমান হলে ৯০০, বীর প্রতীক তারামন বিবি হলে ৭০০, তাপসী রাবেয়া হলে ৫৩০, কবি গোলাম মোস্তফা হলে ৭০ এবং ভেটেরিনারি অনুষদের ছাত্রী হলে ২৪ জন শিক্ষার্থী টোকেন নেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গণভোজে শিক্ষার্থীপ্রতি মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২০০ টাকা। এর মধ্যে শিক্ষার্থী ৭০ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৯০ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট হল কর্তৃপক্ষ ৪০ টাকা বহন করেছে।
আয়োজনে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। মুন্সী মেহেরুল্লাহ হল ও শহীদ মসিয়ূর রহমান হলে পরিবেশন করা হয় পোলাও, গরু বা খাসির মাংস, মুগ ডাল, সালাদ, দই ও সফট ড্রিংকস। অন্যদিকে তাপসী রাবেয়া হল ও বীর প্রতীক তারামন বিবি হলে ছিল কাচ্চি, মোরগ পোলাও, দই ও সফট ড্রিংক।
বীর প্রতীক তারামন বিবি হলের শিক্ষার্থী শামীমা আক্তার বলেন, “জুলাই আমাদের কাছে সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর প্রতীক। গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।”
মুন্সী মেহেরুল্লাহ হলের প্রভোস্ট ড. মো. আব্দুর রউফ সরকার বলেন, শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় আয়োজনটি সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদারের পাশাপাশি শহীদদের স্মৃতি ও আন্দোলনের তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।