| শিরোনাম |
❒ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে সরকারি ছুটি
❒ বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছবি:
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ঘোষিত সরকারি ছুটির কারণে আজ বুধবার (০৫ আগস্ট) সকাল থেকে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল-পেট্রাপোল দিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে কাস্টমস ও বন্দর পরিচালনার কাজও সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দরের দুই প্রান্তে শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছে। এসব ট্রাকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ট্রাকে দেশের শতভাগ রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পের কাঁচামাল রয়েছে। ফলে একদিনের এ বিরতিও সরবরাহ ব্যবস্থায় সাময়িক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি জানান, সরকারি ছুটির কারণে বুধবার কোনো ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে না। কাস্টমস ও বন্দরের সব কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকে যথারীতি বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম শুরু হবে এবং পণ্য খালাস ও রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে।
বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান বলেন, বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে এবং ইমিগ্রেশন কার্যক্রম নিয়মিত চলছে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় বুধবার বন্দরের সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি, কাস্টমস ও বন্দর পরিচালনার কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুনরায় সব কার্যক্রম চালু হবে।
উল্লেখ্য, বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন ভারত থেকে গড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে ভারতে রপ্তানি হয় প্রায় ৮০ থেকে ৯০ ট্রাক পণ্য। এই বন্দর দিয়ে আমদানি বাণিজ্য থেকে প্রতিদিন সরকারের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়।