| শিরোনাম |
❒ প্রত্যেকের মাথায় আঘাতের চিহৃ রয়েছে দাবি পুলিশের
❒ বাগেরহাটে বসতঘরে দুই নারীসহ ৩ জন খুন ছবি:
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চান্দেরকোলা গ্রামে একই পরিবারের দুই নারীসহ ৩ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে মরদেহ তিনটি উদ্ধারের ঘটনায় শোকের পাশাপাশি চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ৩ জনকে দুই থেকে তিনদিন আগে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। তিনটি মরদেহ উদ্ধার করে বিকেলে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতরা হলেন-উপজেলার চান্দেরকোলা গ্রামের মৃত আবদার আলী হাওলাদারের স্ত্রী মনিরা বেগম (৬০), তাদের ছেলে আহাদ হাওলাদার (২৫) ও নিহত মনিরা বেগমের মা রাশিদা বেগম (৯০)।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে প্রতিবেশী কয়েকজন নারী ওই বাড়িতে গিয়ে বারান্দায় এক বৃদ্ধার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের অন্য সদস্যদের ডাকাডাকি করেন। পরে তারা ঘরের ভেতরে গিয়ে আরও দুজনের মরদেহ দেখতে পান। এ ঘটনায় তারা ডাক-চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তিনটি মরদেহ ঘর ও বারান্দায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে দ্রুত কচুয়া থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করে।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন আর রশিদ জানান, তিনটি মরদেহের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ কারণে এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া, ঘটনাটি দুই থেকে তিন দিন আগে ঘটতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ওই বাড়িতে লোকজনের আনাগোনা না থাকায় বিষয়টি এতদিন কারো নজরে আসেনি। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। একই পরিবারের তিনজনকে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে।
এদিকে, একই পরিবারের ৩ জন হত্যাকাণ্ড ঘিরে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন-এ ধরণের হত্যাকাণ্ড কখন, কিভাবে এবং কারা ঘটিয়েছে তা দ্রুত উদঘাটন করা উচিত। অন্যত্থায় জনমনে সৃষ্টি হওয়া ভীতি সহসাই দূর হবে না। মানুষ রীতিমত গুপ্ত হত্যার আশঙ্কা করছেন।