| শিরোনাম |
❒ ‘যে হাত ছবি আঁকে, সে হাতে মাদক বা অস্ত্র নয়, জন্ম নেয় সৃজনশীলতা
❒ প্রথম দিনেই রঙ-তুলির আঁচড়ে ফুটে উঠেছে প্রকৃতি
রঙ-তুলির আঁচড়ে ফুটে উঠেছে প্রকৃতি, মানুষের অনুভূতি আর সময়ের গল্প। সেই শিল্পচর্চার মধ্যেই উচ্চারিত হলো একটি দৃঢ় বার্তা—‘যে হাত ছবি আঁকে, সে হাতে মাদক বা অস্ত্র নয়, জন্ম নেয় সৃজনশীলতা।’
শনিবার বিকেলে যশোরের চারুপীঠ আর্ট গ্যালারিতে চারুকলা চর্চা কেন্দ্র ‘নান্দিক শিল্পী’-এর তিনদিনব্যাপী শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
তারা বলেন, শিল্প মানুষের মনের ভাষা প্রকাশ করে। একজন শিল্পী শুধু ছবি আঁকেন না, সময়, সমাজ ও জীবনের নানা অনুষঙ্গকে ক্যানভাসে ধারণ করেন। সরল অনুভূতি, প্রকৃতির সৌন্দর্য, রঙের বৈচিত্র্য ও কল্পনার মিশেলে নির্মিত প্রতিটি শিল্পকর্মই শিল্পীর নিজস্ব ভাষা বহন করে।
আফসানা জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যশোর এস এম সুলতান ফাইন আর্ট কলেজের অধ্যক্ষ মো. শামীম ইকবাল। বক্তব্য দেন চারুপীঠের সভাপতি হারুন অর রশিদ, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যশোর জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান বুলু এবং সুরবিতান সঙ্গীত অ্যাকাডেমির সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব বিশ্বাস। স্বাগত বক্তব্য দেন নান্দিকের পরিচালক কৃষি গৌতম।
অনুষ্ঠানে শিল্পকলায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রইং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তরিকত ইসলাম এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. রওশন ইসলামকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
নান্দিকের পরিচালক কৃষি গৌতম বলেন, এবারের প্রদর্শনী কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি শিল্পীদের মুক্ত সৃজনশীলতার প্রকাশ। বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত আর্টক্যাম্প এবং কেন্দ্রে একসঙ্গে বসে আঁকা ছবিগুলোই এ প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে।
তিনদিনের এই প্রদর্শনীতে ২৬ জন শিশুসহ মোট ৫৩ জন শিল্পীর শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছেন কৃষি গৌতম, বিপ্লব বিপ্রদাস, সাদি তাইফ, আবেদুর রহমান, ইকরা প্রিয়া, কৃষ্ণ বিশ্বাস, ফারহানা উর্মি, উত্তম বৈরাগী, মৌমিতা নদী, ফারজানা দিশা, সজল ব্যানার্জী, মনিশান্ত সরকার, ওয়ালিসা, সুপ্রিয়া, তনুশ্রী, চিরঞ্জিত, স্বাধীন হালদার, আনিশা জামান, আলামিন বাবু, সুরঞ্জনা, মোহিত, অর্পিতা পাল, হিরন্ময় সরকারসহ অনেকে।
আগামী ২৯ জুন প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠিত হবে।