| শিরোনাম |
যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি পণ্যচালান বন্দরে প্রবেশ থেকে খালাস পর্যন্ত সম্পূর্ণ কার্যক্রম নিয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৪ মে ) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বেনাপোল স্থলবন্দরের আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের কনফারেন্স রুমে এ সম্মেলনের আয়োজন করে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
সম্মেলনে বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) উপ-সচিব মোহাম্মদ শামীম হোসেনসহ বন্দরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বিভিন্ন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, আমদানি পণ্য দেশে আনার ক্ষেত্রে প্রথম ধাপ হলো এলসি খোলা। আমদানিকারক ব্যাংকের মাধ্যমে প্রোফরমা ইনভয়েস জমা দিয়ে এলসি খুলে থাকেন, যেখানে পণ্যের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ থাকে। এরপর ইমপোর্ট জেনারেল মেনিফেস্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রপ্তানিকারক পণ্য প্রেরণের তথ্য বাংলাদেশে পাঠান।
সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ এজেন্ট কাস্টমসের কার্গো শাখায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে অনলাইনে এন্ট্রি সম্পন্ন করেন। কাস্টমসের অনুমোদনের পর পণ্যবাহী ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বন্দরে প্রবেশের পর বিজিবি, কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষ পর্যায়ক্রমে এন্ট্রি সম্পন্ন করে এবং ট্রাকগুলো ওজন স্কেলে ওজন গ্রহণ করে কার্গো ভেহিক্যাল টার্মিনালে অবস্থান নেয়।
পরে পোস্টিং শাখা থেকে নির্ধারণ করা হয় কোন শেড বা ইয়ার্ডে পণ্য খালাস হবে। নির্ধারিত স্থানে ভারতীয় ট্রাক থেকে পণ্য আনলোডের পর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ পণ্য পরীক্ষণ ও শুল্কায়ন সম্পন্ন করে। শুল্ক পরিশোধের পর কাস্টমস রিলিজ অর্ডার প্রদান করলে বন্দর কর্তৃপক্ষের মাশুল পরিশোধ সাপেক্ষে পণ্য খালাস করা যায়।
খালাস শেষে গেইটপাস ইস্যুর মাধ্যমে পণ্য বাংলাদেশি ট্রাকে লোড করা হয় এবং এক্সিট নোট সম্পন্ন করে ট্রাকগুলো বন্দর ত্যাগ করে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করে, এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল হবে এবং সরকারের রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি পাবে।