| শিরোনাম |
❒ সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের ছাতকে বাস ও সিএনজির সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ পাঁচজন নিহত ছবি:
সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের ছাতকে বাস ও সিএনজির সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে মা-মেয়েসহ ৪জন নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার পৃথক এ দুটি দুর্ঘটনায় সড়কে ঝরে গেল ৯ জনের প্রাণ। সোমবার পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ জন।
প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যচিত্রঃ
সোমবার (৪ মে) দুপুরে ছাতক উপজেলার জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে বাস ও সিএনজির সংঘর্ষে এই পরিবারের ৩ জনসহ ৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন-তাহিরপুর উপজেলার তিওর জালাল গ্রামের ইউসুফ আলী, তার দুই মেয়ে নিলুফা আক্তার (৩০) ও কেয়া মনি (১৭), ভাতিজি জামাই মো. শাহাব উদ্দিন এবং অজ্ঞাতনামা সিএনজিচালক।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলী নেওয়াজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হাইওয়ে পুলিশের তথ্যমতে, সিলেট থেকে সুনামগঞ্জগামী রিফাত পরিবহনের একটি বাস হঠাৎ লেন পরিবর্তন করে বিপরীত দিক থেকে আসা সিএনজিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং বাসটি খাদে উল্টে পড়ে।
ঘটনাস্থলেই সিএনজিচালক ও ইউসুফ আলীর মৃত্যু হয়। গুরুতর আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজন মারা যান। দুর্ঘটনার পর বাসচালক পালিয়ে যায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে মা-মেয়েসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার দুপুরের আগে মনতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সোমবার (৪ মে) সকাল পৌনে ১২টার দিকে ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কুমারগাতা ইউনিয়নের মনতলা সমিতিঘর এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ জানায়, বালুবাহী একটি ট্রাকের সঙ্গে বিপরীতমুখী সিএনজির সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই তিন নারী যাত্রী নিহত হন। তারা হলেন জামালপুরের শিউলি আক্তার (৩২) ও তার মেয়ে খোশনুর জাহান (১২), এবং ময়মনসিংহের আইনজীবী চৌধুরী হোসনে আরা বেগম (৬৫)।
আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও এক পুরুষের মৃত্যু হয়, যার পরিচয় এখনও জানা যায়নি। গুরুতর আহত এক নারীকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে এবং সিএনজিচালক সোহেল মিয়া চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ আরও জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও সিএনজি জব্দ করা হয়েছে। মুক্তাগাছা থানার ওসি মো. কামরুল ইসলাম বলেন, নিহতদের পরিচয় নিশ্চিতকরণ ও আইনি প্রক্রিয়া চলছে।