রবিবার , ১৭ মে ২০২৬ , ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)
যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেক জালিয়াতির মামলায় আত্মসমর্পণকারী কারাগারে
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল , ২০২৬, ০৬:২০:০০ পিএম
স্বর্ণলতা নিউজ:
Shornolota_2026-04-30_69f3742417c61.JPG

❒ ফাইল ছবি:

যশোর শিক্ষা বোর্ডে বহুল আলোচিত ৩৮টি চেক জালিয়াতির মামলায় আত্মসমর্পণকারী শেখ শরিফুল ইসলামকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। চেকগুলো জমা দিয়ে ব্যাংক থেকে ৬ কোটি সাড়ে ৭৪ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়।  বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে মামলাটির আসামি এসএম নূরুল ইসলাম যশোরের বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আত্মসম্পর্ণ করলে বিচারক এসএম নূরুল ইসলাম শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

গত ২ এপ্রিল এ মামলার ১১ আসামিকে অভিযুক্ত করে চার্জ গঠন করা হয়েছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম। আসামি শরিফুল ইসলাম শহরের ভেনাস প্রিন্টিং প্রেসের প্রোপাইটর।

অভিযোগে জানা গেছে, যশোর শিক্ষা বোর্ডের ২৫টি হিসাব সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের যশোর বিআইএসই শাখায় পরিচালিত হয়। এর মধ্যে একটি হিসাবের স্বাক্ষরকারী বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সচিব। ২০১৭-১৮ অর্থবছর থেকে ২০২১-২০২২ অর্থবছর পর্যন্ত ওই হিসাব থেকে ৩৮টি চেক জালিয়াতি করে বিভিন্ন ব্যাংকে জমা দিয়ে ২৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭০৬ টাকার স্থলে ৬ কোটি ৯৭ লাখ ৮৫ হাজার ৩৯৭ টাকা তুলে নেয়া হয়। এর মধ্যে ১৬ টি চেক আসামি আব্দুস সালাম গ্রহণ করেন। অবশিষ্ট ২২টি চেক শেখ শরিফুল ইসলাম কয়েকজন কর্মচারীর সহায়তায় গ্রহণ করেন। এরপর চেকগুলোতে টাকার পরিমাণ বাড়িয়ে লিখে উত্তোলন করেন তারা। এভাবে আসামিরা পারস্পরিক সহায়তায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে মূল টাকার অতিরিক্ত ৬ কোটি ৭৪ লাখ ৪৩ হাজার ৩ টাকা আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা পাওয়ায় দুদকের সহকারী পরিচালক মাহফুজ ইকবাল বাদী হয়ে ২০২১ সালের ১৮ অক্টোবর দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা করেন। এ মামলা তদন্ত শেষে ওই ১১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতের চার্জশিট জমা দেন দুদকের তৎকালীন উপপরিচালক আল আমিন। চার্জশিটে অব্যাহতির আবেদন করা হয় বোর্ডের তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোল্লা আমির হোসেন ও সচিব প্রফেসর এএমএইচ আলী আর রেজার। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ২ জুন মামলার ধার্য দিনে ১০ আসামির উপস্থিতিতে চার্জ গঠন করা হয়। এ মামলার আসামি শেখ শরিফুল ইসলাম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। আসামি শেখ শরিফুল ইসলাম দীর্ঘদিন পলাতক থেকে পুলিশি গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। বিচারক জামিন আবেদনের শুনানি শেষে নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

দুদকের পিপি সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘৩৮টি চেক জালিয়াতির মামলায় ১১ জনের নামে চার্জশিট দাখিলের পর আদালতে তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। বৃহস্পতিবার মামলার পলাতক আসামি শরিফুল আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।’

আরও খবর

Ad for sale 225 x 270 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
🔝