মঙ্গলবার , ২১ এপ্রিল ২০২৬ , ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒ নিরিবিলি পিকনিক স্পট

নড়াইলে দাফনের ৭ মাস পর পার্ক ব্যবস্থাপকের মরদেহ উত্তোলন

❒ মারধরের সিসিটিভি ফুটেজ ফাঁসের পর মামলা করেন পরিবার

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল , ২০২৬, ০৮:৫৫:০০ পিএম
নড়াইল সংবাদদাতা:
Shornolota_2026-04-07_69d5290f798bc.JPG

নড়াইলের লোহাগড়ায় দাফনের সাত মাস পর কবর থেকে নিরিবিলি পিকনিক স্পটের কাউন্টার ব্যবস্থাপক মুকুল মোল্যার মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার লক্ষ্মীপাশা কেন্দ্রীয় কবরস্থান থেকে তার মরদেহটি উত্তোলন করা হয়। মুকুল লক্ষীপাশা গ্রামের মৃত রুহুল আমীন মোল্যার ছেলে। নড়াইল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পরিবার ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৭ আগস্ট বিকেলে লোহাগড়ায় পিকনিক স্পটে আসেন একই উপজেলার রাজোপুর এলাকার ভাড়াটিয়া আবু সাঈদ, আরিনা জান্নাতুল ও সাহানুর বেগমসহ কয়েকজন। এ সময় রাত্রিযাপনের জন্য কক্ষ ভাড়া নেওয়া নিয়ে তাদের সঙ্গে ব্যবস্থাপক মুকুলের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তারা সবাই মিলে মুকুলকে মারধর করে। এ সময় মুকুলকে অসুস্থ অবস্থায় লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তবে মুকুলকে মারধরের বিষয়টি পরিবার তখনো জানত না। এ কারণে মুকুলের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে পরদিন (২৮ আগস্ট) দাফন করে তার পরিবার।

দাফনের দুদিন পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পার্ক ব্যবস্থাপক মুকুলকে মারধরের সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি নিহতের পরিবারের নজরে এলে তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়।

ওই বছরের ২ নভেম্বর লোহাগড়া আমলি আদালতে নিহতের বড় বোন রেহানা পারভীন বাদী হয়ে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্তের স্বার্থে আদালত সংস্থাটিকে মুকুলের মরদেহ উত্তোলন করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য অনুমতি দেন।

এ ঘটনায় নিহতের পরিবার অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

আরও খবর

Ad for sale 225 x 270 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
🔝