| শিরোনাম |
❒ পুরুষাঙ্গ কর্তনের পর উজ্জ্বল খান হাসপাতালে ছবি:
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে দাম্পত্য কলহের জেরে রাতে ব্লেড দিয়ে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দিয়েছেন স্ত্রী। সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক রাত ২ টার দিকে উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের বলাবাড়িয়া গ্রামে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়রা অভিযুক্ত নারীকে পুলিশে দিয়েছেন। এরমধ্যে রটেছে অভিযুক্ত রুবিনা খাতুন ওরফে চায়না পরকীয়ায় জড়িত। তবে ভুক্তভোগী ও প্রতিবেশিরা এ অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেননি।
স্থানীয়রা জানান, বলাবাড়িয়া গ্রামের মৃত আকরাম খানের ছেলে উজ্জ্বল খানের সাথে একই গ্রামের সোলাইমান খানের মেয়ে রুবিনা খাতুন চায়নার বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি লেগেই থাকত। প্রায়শই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও মনোমালিন্য হতো। স্বজনদের দাবি, ঘটনার রাতেও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র কথা কাটাকাটি হয়। স্বামী উজ্জ্বল খান ঘুমিয়ে পড়লে রাত ২টার দিকে স্ত্রী চায়না খাতুন ধারালো ব্লেড দিয়ে তার স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে রক্তাক্ত করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু উজ্জ্বলের আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এনে অভিযুক্ত স্ত্রীকে ধরে ফেলেন।
প্রতিবেশীদের দাবি-রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করছিলেন উজ্জল। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক ড্রেসিং ও রক্তক্ষরণ বন্ধের চেষ্টা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে মডেল থানা পুলিশ। ব্রেকিং নিউজ
স্থানীয় ইউপি সদস্য জরিনা খাতুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দম্পতির মধ্যে বিবাদ দীর্ঘদিনের। সেই ক্ষোভ থেকেই রুবিনা এমন চরম পথ বেছে নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাজমুল হাসান জানান, আহত ব্যক্তির পুরুষাঙ্গে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে আটটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে রোগী আশঙ্কামুক্ত থাকলেও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, অভিযুক্ত স্ত্রীকে হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন। ভিকটিমের কেউ মামলা করতে চাইলে গ্রহণ করা হবে।