| শিরোনাম |
❒ সাতক্ষীরা পাখিমারা বিল
❒ ছয় বছর জমি ডুবে, কৃষকেরা পেয়েছেন মাত্র দুই বছরের টাকা
❒ সাতক্ষীরা পাখিমারা বিল ছবি:
সাতক্ষীরার তালার পাখিমারা বিলে কপোতাক্ষ নদের জলাবদ্ধতা দূরীকরণের জন্য ২০১১-১২ অর্থবছরে টিআরএম কার্যক্রম শুরু হয়। টানা ছয় বছর ১ হাজার ৫৬২ একর জমিতে জোয়ার-ভাটা চালু থাকলেও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা পূর্ণ ক্ষতিপূরণ পাননি। সরকার মাত্র দুই বছরের অর্থ দিয়েছে, বাকি চার বছরের প্রায় ৪৮ কোটি টাকা আটকে আছে।
ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকেরা বলছেন, টিআরএমের কারণে লাখো মানুষ উপকৃত হলেও তাঁদের সর্বস্ব গেছে। জমিতে ফসল হয়নি, ঋণগ্রস্ত হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। টিআরএম বিল কমিটির সভাপতি আশরাফুল হক জানান, “বৃহত্তর স্বার্থে জমি দিয়েছি। কিন্তু প্রতিশ্রুত ক্ষতিপূরণ না পেয়ে এখন অনাহারে দিন কাটাচ্ছি।”
অন্য সদস্যরাও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন—এই পাওনা না মেটালে আর কেউ জমি দিতে আগ্রহী হবে না। পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান বলেন, “টিআরএম ছাড়া জলাবদ্ধতা দূর করা যাবে না। তাই ক্ষতিপূরণ দিয়ে নতুন টিআরএম চালু করা জরুরি।”
এ নিয়ে কৃষকেরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে পরিবেশ ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন। জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ জানান, বরাদ্দকৃত টাকা বিতরণ করা হয়েছে, বাকি পাওনার বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা আশঙ্কা করছেন-৪৮ কোটি টাকা বকেয়া না মেটালে কপোতাক্ষের জলাবদ্ধতা আবারও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।